• ৬ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ২৪ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

MS Dhoni,

খেলার দুনিয়া

এমএস ধোনি বিশ্বের সেরার সেরা তালিকায়, গ্রিলক্রিস্টের স্বীকৃতিতে ভারতীয় ক্রিকেটার উচ্চাসনে

বিশ্বের অন্যতম সেরা উইকেটরক্ষক কাম ব্যাটারেরর নাম বললেই প্রথমে উঠে আসবে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট। কিন্তু, সেরার তালিকায় অবশ্যই থাকবে এমএস ধোনির নাম, মত অ্যাডাম গিলক্রিস্টের। তাঁর মতে, এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানেই থাকবেন ভারতের এমএস ধোনি। তৃতীয় স্থানে থাকবেন শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারা। তবে অস্ট্রেলিয়ার এই তারকা ক্রিকেটার মনে করেন, এই তালিকায় একনম্বরে থাকবেন তাঁর দেশের সাবেক উইকেটরক্ষক রডনি মার্শ। তিনিই বিশ্বের সর্বকালের সেরা উইকেটরক্ষক-ব্যাটার, মত গিলক্রিস্টের।তাঁর জীবনে একাধিক রেকর্ড করেছেন অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান অ্যাডাম গিলক্রিস্ট। সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে গিলক্রিস্ট এমএস ধোনিকে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা উইকেটরক্ষক-ব্যাটার এবং কুমার সাঙ্গাকারাকে তৃতীয় সেরা বলে উল্লেখ করেছেন। রডনি মার্শকে তাঁর আইডল হিসাবে বর্ণনা করে, গিলক্রিস্ট কিংবদন্তি অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড়ের কায়দা অনুকরণ করার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন। মাঠে ধোনি যেভাবে শান্ত থাকেন, তারও প্রশংসা করেছেন গিলক্রিস্ট। ঠান্ডা স্বভাবের জন্যই তিনি ধোনির প্রশংসা করেছেন। কুমার সাঙ্গাকারার বিষয়ে, গিলক্রিস্ট শ্রীলঙ্কান উইকেটরক্ষক-ব্যাটারের ব্যতিক্রমী দক্ষতার কথা তুলে ধরেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন অধিনায়ক সাঙ্গাকারা টপ অর্ডার ব্যাটিং থেকে উইকেট কিপিং পর্যন্ত সবদিক দিয়েই পারদর্শী।

আগস্ট ২২, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

সম্মান রক্ষার ম্যাচে মুম্বইয়ের কাছে লজ্জার হার ধোনিদের

সম্মান রক্ষার লড়াইয়ে চূড়ান্ত অসম্মানিত ধোনি ব্রিগেড। আইপিএলের প্রায় গুরুত্বহীন ম্যাচে রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে হারতে হল ৫ উইকেটে। অঙ্কের বিচারে প্লে অফের যাওয়ার ক্ষীণ সম্ভাবনা ছিল চেন্নাইয়ের। স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে গেলে জিততেই হত চেন্নাইকে। কিন্তু জ্বলে উঠতে পারলেন না ধোনিরা। চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয় পরাজয়ের দিকে ঠেলে দিল চেন্নাইকে। ড্যানিয়েল স্যামস, যশপ্রীত বুমরা, রিলে মেরেডিথদের বোলিংয়ের সামনে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেন না ডেভন কনওয়ে, ঋতুরাজ গায়কোয়াররা।টস জিতে এদিন চেন্নাইকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। দ্বিতীয় বলেই ধাক্কা চেন্নাই সুপার কিংসের। ড্যানিয়েল স্যামসের বল কনওয়ের প্যাডে লাগে। উইকেটে পড়ে লেগ স্টাম্পের বাইরে যাচ্ছিল। তা সত্ত্বেও আম্পায়ার চিরা রবিকান্তরেড্ডি কনওয়েকে লেগ বিফোর আউট দেন। ওই সময় স্টেডিয়ামে বিদ্যুৎ ছিল না। তাই ডিআরএসের সুবিধা নিতে পারেননি কনওয়ে (০)। ওই ওভারের চতুর্থ বলে মইন আলিকেও (০) তুলে নেন স্যামস। পরের ওভারে আবার দুর্ভাগ্যের শিকার চেন্নাই সুপার কিংস। এবার বুমরার শিকার রবিন উথাপ্পা (১)। তাঁকে এলবিডব্লু আউট দেন ক্রিস গাফানি। সেই বিদ্যাউৎ বিভ্রাটের জন্য উথাপ্পাও ডিআরএস নিতে পারেননি।পঞ্চম ওভারের প্রথম বলেই ফর্মে থাকা ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে (৭) তুলে নেন ড্যানিয়েল স্যামস। ১৭ রানে ৪ উইকটে হারিয়ে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে চেন্নাই। সেখান থেকে আর ম্যাচে ফিরতে পারেননি। অম্বাতি রায়ুডু (১০) ও শিবম দুবেকে (১) তুলে নিয়ে চেন্নাইয়ের মিডল অর্ডারে ধস নামান রিলে মেরেডিথ। ডোয়েন ব্র্যাভো (১২) ও সিমরনজিৎ সিংকে (২) তুলে নেন কুমার কার্তিকেয়া। মহেশ থিকসানাকে (০) ফেরান রমনদীপ সিং। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও লড়াই চালিয়ে যান মহেন্দ্র সিং ধোনি। যদিও দলকে ১০০ রানের গন্ডি পার করে দিতে পারেননি। ১৬ ওভারে ৯৭ রানে গুটিয়ে যায় চেন্নাই। ৩৩ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন ধোনি। ১৬ রানে ৩ উইকেট নেন ড্যানিয়েল স্যামস। জয়ের জন্য ৯৮ রানের লক্ষ্য মোটেই কঠিন ছিল না মুম্বইয়ের কাছে। কম রানের পুঁজি নিয়েও দারুণ লড়াই শুরু করেন চেন্নাই বোলাররা। প্রথম ওভারেই ঈশান কিশনকে (৬) তুলে নেন মুকেশ চৌধুরী। ২ ওভার পরেই রোহিত শর্মাকে (১৮) ফেরান সিমরনজিত সিং। পঞ্চম ওভারে এক বলের ব্যবধানে ড্যানিয়েল স্যামস (১) ও ট্রিস্টান স্টুবাসকে (০) তুলে নিয়ে মুম্বইকে চাপে ফেলে দেন মুকেশ চৌধুরী। ৩৩ রানে ৪ উইকেট হারায় মুম্বই। এরপর মুম্বইকে টানেন ঋত্বিক সোকেন ও তিলক ভার্মা। ঋত্বিক (১৮) আউট হওয়ার পর মুম্বইকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন তিলক (অপরাজিত ৩৪) ও টিম ডেভিড (অপরাজিত ১৬)। ১৪.৫ ওভারে ১০৩/৫ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় মুম্বই।

মে ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বোলারদের উইকেট নয়, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শিকার চেন্নাইয়ের দুই ব্যাটার

বৃহস্পতিবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শিকার হতে হল ডেভন কনওয়ে ও রবিন উথাপ্পাকে। দুর্ভাগ্যের শিকার চেন্নাই সুপার কিংসও। গুরুত্বহীন ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়। ড্যানিয়েল সামস, যশপ্রীত বুমরা, রিলে মেরেডিথদের দাপটে ৯৭ রানের বেশি তুলতে পারল না চেন্নাই। ড্যানিয়েল সামসের বলে ডেভন কনওয়ে এলবিডব্লু। যশপ্রীত বুমরার বলে রবিন উথাপ্পাও। দুজনের আউট নিয়েই সন্দেহ ছিল। টিভি রিপ্লেতেও দেখা যায় দুজনে আউট ছিলেন না। ডিআরএসের সুযোগ থাকলেও নিতে পারেননি চেন্নাই সুপার কিংসের এই দুই ব্যাটার।দুই দলের সামনেই প্লে অফের সম্ভাবনা আগেই শেষ হয়ে গেছে। বাকি ম্যাচ শুধু সম্মান রক্ষার লড়াই। সম্মান রক্ষার লড়াইয়ে চূড়ান্ত অসম্মানিতে চেন্নাই সুপার কিংস। টস জিতে এদিন চেন্নাইকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। দ্বিতীয় বলেই ধাক্কা চেন্নাই সুপার কিংসের। ড্যানিয়েল স্যামসের বল কনওয়ের প্যাডে লাগে। উইকেটে পড়ে লেগ স্টাম্পের বাইরে যাচ্ছিল। তা সত্ত্বেও আম্পায়ার চিরা রবিকান্তরেড্ডি কনওয়েকে লেগ বিফোর আউট দেন। ওই সময় স্টেডিয়ামে বিদ্যুৎ ছিল না। তাই ডিআরএসের সুবিধা নিতে পারেননি কনওয়ে (০)। ওই ওভারের চতুর্থ বলে মইন আলিকেও (০) তুলে নেন স্যামস।পরের ওভারে আবার দুর্ভাগ্যের শিকার চেন্নাই সুপার কিংস। এবার বুমরার শিকার রবিন উথাপ্পা (১)। তাঁকে এলবিডব্লু আউট দেন ক্রিস গাফানি। সেই বিদ্যাউৎ বিভ্রাটের জন্য উথাপ্পাও ডিআরএস নিতে পারেননি। পঞ্চম ওভারের প্রথম বলেই ফর্মে থাকা ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে (৭) তুলে নেন ড্যানিয়েল স্যামস। ১৭ রানে ৪ উইকটে হারিয়ে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে চেন্নাই। সেখান থেকে আর ম্যাচে ফিরতে পারেননি। অম্বাতি রায়ুডু (১০) ও শিবম দুবেকে (১) তুলে নিয়ে চেন্নাইয়ের মিডল অর্ডারে ধস নামান রিলে মেরেডিথ। ডোয়েন ব্র্যাভো (১২) ও সিমরনজিৎ সিংকে (২) তুলে নেন কুমার কার্তিকেয়া। মহেশ থিকসানাকে (০) ফেরান রমনদীপ সিং। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও লড়াই চালিয়ে যান মহেন্দ্র সিং ধোনি। যদিও দলকে ১০০ রানের গন্ডি পার করে দিতে পারেননি। ১৬ ওভারে ৯৭ রানে গুটিয়ে যায় চেন্নাই। ৩৩ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন ধোনি। ১৬ রানে ৩ উইকেট নেন ড্যানিয়েল স্যামস। ২২ রানে ২ উইকেট কুমার কার্তিকেয়ার। ২৭ রানে ২ উইকেট নেন রিলে মেরেডিথ। ১২ রানে ১ উইকেট যশপ্রীত বুমরার।

মে ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আরও একটা মাইলস্টোন ধোনির, তবু দলকে জেতাতে পারছেন না কেন?‌

এবারের আইপিএলে কী হাল গতবারের চ্যাম্পিয়নদের? তিন ম্যাচ খেলা হয়ে গেল, অথচ এখনও জয়ের মুখ দেখতে পেল না চেন্নাই সুপার কিংস। দল না জিতলে কী হবে, একের পর এক মাইলস্টোন গড়েই চলেছেন চেন্নাই সুপার কিংসের প্রাক্তন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। কদিন আগেই টি২০ ক্রিকেটে ৭ হাজার রানের মাইলস্টোন পার করেছেন। রবিরার পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নেমে ৩৫০টি টি২০ ম্যাচ খেলার কৃতিত্ব অর্জন করলেন তিনি। দ্বিতীয় ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন। ভরতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে টি২০ ফরম্যাটে সবথেকে বেশি ম্যাচ খেলেছেন রোহিত শর্মা। জাতীয় দল, আইপিএল, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ঘরোয়া টি২০ মিলিয়ে তিনি খেলেছেন ৩৭২টি ম্যাচ। আর ধোনির মোট ম্যাচের সংখ্যা ৩৫০। এর মধ্যে দেশের হয়ে খেলেছেন ৯৮টি টি২০ ম্যাচ। আর আইপিএলে খেলেছেন ২২২টি ম্যাচ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ঘরোয়া টি২০ মিলিয়ে খেলেছেন ৩০টি ম্যাচ। আর ভারতীয়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি টি২০ ম্যাচ খেলার দিক দিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন সুরেশ রায়না। তিনি খেলেছেন ৩৩৬টি ম্যাচ। তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছেন দীনেশ কার্তিক। কার্তিক খেলেছেন ৩২৯ টি ম্যাচ। আর পঞ্চম স্থানে থাকা বিরাট কোহলি খেলেছেন ৩২৮টি ম্যাচ। চলতি আইপিএলে দুদুটি মাইলস্টোনে পৌঁছে গেলেন ধোনি। উইকেটের সামনে ও পেছনে ভাল পারফরমেন্স করলেও দলকে এখনও জয়ের মুখ দেখাতে পারেননি। প্রথম ম্যাচে অপরাজিত হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন ধোনি। দ্বিতীয় ম্যাচে ৬ বলে ১৬ রান করেছিলেন। পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ২৮ বলে করেন ২৩। আইপিএল শুরুর আগে স্বেচ্ছায় নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়ে দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজার ওপর। জাদেজা দলকে নেতৃত্ব দিলেও ধোনি দারুণ সাহায্য করছেন উত্তরসূরীকে। রবিবার পাঞ্জাব কিংসের কাছে ৫৪ রানে হেরেছে চেন্নাই সুপার কিংস। প্রথমে ব্যাট করে পাঞ্জাব তোলে ১৮০/৮। জবাবে ১৮ ওভারে ১২৬ রানে শেষ হয়ে যায় চেন্নাইয়ের ইনিংস। টানা তিন ম্যাচ হারের পর চেন্নাই অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজার মুখে ঘুরে দাঁড়ানোর কথা। তিনি বলেন, পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে প্রথম বল থেকেই আমরা মোমেন্টাম পাইনি। পাওয়ার প্লের ওভারগুলিতে একাধিক উইকেট হারিয়েছিলাম। এখান থেকে আমাদের প্রত্যাবর্তনের রাস্তা খুঁজে বের করতে হবে। এখনও ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব। -----------

এপ্রিল ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

M‌S Dhoni : মেগা নিলামের জন্য ধোনির আগেও চেন্নাই কর্তাদের কাছে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছেন ঋতুরাজ!‌‌

মহেন্দ্র সিং ধোনির আগেও গুরুত্ব পাচ্ছেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, রবীন্দ্র জাদেজারা! শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই বাস্তব। সামনের বছর আইপিএলের মেগা নিলামের আগে যদি পুরনো দল থেকে দুজন ক্রিকেটারকে রাখতে হলে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও রবীন্দ্র জাদেজাকে ধরে রাখতে চায় চেন্নাই সুপার কিংস। তিনজন ক্রিকেটারকে ধরে রাখার সুযোগ থাকলে সেক্ষেত্রে মহেন্দ্র সিং ধোনিকেও রেখে দেওয়া হবে। অর্থাৎ টিম ম্যানেজমেন্টের প্রথম পছন্দের তালিকায় নেই ক্যাপ্টেন কুলএর নাম। তবে ধোনিকে দলে নেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ঝাঁপাবে চেন্নাই সুপার কিংস কর্তারা। তবে সবকিছু নির্ভর করছে রিটেশন নিয়মের ওপর। সামনের বছর আইপিএলের নিলামের জন্য অধিকাংশ ক্রিকেটারকে ফ্রি করে দেওয়া হবে। আগের ৮টি দলের সঙ্গে আরও দুটি দল বাড়বে। ফলে ক্রিকেটারদের পুলের সংখ্যাও বাড়াতে হবে। নিলামও আগের থেকে অনেক বেশি জমজমাট হবে। সব দলই চাইবে মেগা নিলাম থেকে আগামী কয়েক বছরের জন্য সেরা দল তৈরি করে নেওয়া। ফলে ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের মতো প্রতিভাসম্পন্ন তরুণ ক্রিকেটাররা যে সব দলেরই টার্গেট হবেন, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। শুক্রবার আইপিএল ফাইনালের পর মহেন্দ্র সিং ধোনি বলেছিলেন, সামনের মরশুমের জন্য আইপিএলের মেগা নিলামের সময় অগ্রাধিকার হবে এমন ক্রিকেটারদের দলে নেওয়া যাতে তাঁদের দীর্ঘদিন দলে ধরে রাখা যায়। সেই পথেই হাঁটার পরিকল্পনা চেন্নাই সুপার কিংস কর্তৃপক্ষর। কর্তাদের লক্ষ্য এমন দল গড়া যাতে আগামী ১০ বছরের জন্য অবদান রাখতে পারে। সেটা মাথায় রেখে ভবিষ্যতের দল গড়তে চান তাঁরা। তাই তরুণ ক্রিকেটারদের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। আর তার জন্যই মহেন্দ্র সিং ধোনির আগে ভেসে উঠছে ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, রবীন্দ্র জাদেজাদের নাম। তবে ধোনি যে চেন্নাই কর্তাদের পরিকল্পনায় নেই, এমন নয়। চেন্নাই সুপার কিংসের এক কর্তা বলেছেন, যে কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজিই ধোনির মতো ক্রিকেটারকে ধরে রাখতে চাইবে। সামনের মরশুমে আইপিএলে দুটি নতুন দল যুক্ত হচ্ছে। অনেক পরিবর্তন হবে। আমাদেরও লক্ষ্য আছে ধোনিকে ধরে রাখা। তার জন্য চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না। তবে ঋতুরাজের মতো ক্রিকেটারকেও ছেড়ে দেওয়া ঠিক হবে না। এবছর চেন্নাই সুপার কিংসের ক্রিকেটারদের বয়স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। বেশির ভাগ ক্রিকেটারই ছিলেন বয়স্ক। তা সত্ত্বেও আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন। ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, শার্দূল ঠাকুর, দীপক চাহারের মতো তরুণ ক্রিকেটারদের পাশাপাশি ডোয়েন ব্র্যাভো, ফাফ ডুপ্লেসি, অম্বাতি রায়ডু, রবিন উথাপ্পার মতো বয়স্করাও জ্বলে উঠেছিলেন। তাই মেগা নিলামে শার্দূল, চাহারদের পাশাপাশি কয়েকজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে ধরে রাখার জন্য ঝাঁপাবে চেন্নাই সুপার কিংস কর্তারা। সামনের বছর আইপিএলেও খেলার ইঙ্গিত দিয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তিনি চান চেন্নাইয়ে ঘরের মাঠে দর্শকদের সামনে খেলে অবসর নিতে চান। এখন দেখার তাঁর মনোবাসনা পূর্ণ হয় কিনা।

অক্টোবর ১৭, ২০২১

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক বাইচুংয়ের, ‘স্থানীয় রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল! যুবভারতীর ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত বনাম ব্রাজিলের বহু প্রতীক্ষিত ফুটবল ম্যাচ। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল দলের বিরুদ্ধে ভারতের মাঠে নামার খবরে ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বিতর্কও। একদিকে এই ম্যাচ আয়োজনকে ঘিরে বিপুল খরচ এবং দেশের ফুটবল পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে এর জন্য ঘরোয়া ফুটবল সূচি ও জাতীয় দলের পরিকল্পনায় প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতেই ভারতীয় ফুটবলের কিংবদন্তি বাইচুং ভুটিয়া সরাসরি ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, একটি মাত্র প্রদর্শনী ম্যাচের পিছনে বিপুল অর্থ খরচ না করে সেই টাকা দীর্ঘমেয়াদি ভাবে ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নে বিনিয়োগ করা উচিত। বাইচুংয়ের মতে, এমন ম্যাচের পিছনে অর্থ ব্যয় করলে তা দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নেওয়ার বদলে উল্টে পিছিয়ে দিতে পারে।বাইচুংয়ের কথায়, ম্যাচ বয়কট করলে একটি স্পষ্ট বার্তা যাবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বড় ম্যাচ আয়োজনের আগে ফেডারেশনকে আরও সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।বিপুল খরচ, প্রশ্নের মুখে ঘরোয়া ফুটবলকলকাতায় ব্রাজিলকে নিয়ে ম্যাচ আয়োজন করতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্রাজিলের পর্যবেক্ষক দল যুবভারতী পরিদর্শনও করেছে। স্টেডিয়ামের পরিকাঠামো নিয়ে তাদের তরফে কিছু উদ্বেগের কথাও উঠে এসেছে।এর পাশাপাশি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ভারতীয় ফুটবলের ঘরোয়া কাঠামো নিয়ে। ব্রাজিল ম্যাচকে কেন্দ্র করে আইএসএলের সূচি পিছিয়ে যাওয়ার জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে ক্লাবগুলির প্রস্তুতি এবং গোটা মরসুমের পরিকল্পনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে ফিফা এশিয়ান কাপের বিষয়টিও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং অন্যান্য সূচির সংঘাতের কারণে ভারত এশিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। যদিও এই বিষয়ে ব্রাজিল ফুটবল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও নিশ্চিত তথ্য তাদের কাছে নেই বলেই জানানো হয়েছে।বাইচুংয়ের প্রশ্নএক ম্যাচের জন্য এত টাকা কেন?বাইচুং ভুটিয়ার যুক্তি, ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটের ম্যাচ নিঃসন্দেহে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বড় আকর্ষণ। কিন্তু সেই আবেগের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা ভাবতে হবে।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি এত বড় অঙ্কের অর্থ হাতে থাকে, তবে তা আগামী কয়েক বছরের জন্য দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো, প্রতিভা অন্বেষণ, প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরিতে বিনিয়োগ করা যায় না কেন? তাঁর মতে, সেই বিনিয়োগ থেকে ভবিষ্যতে কমনওয়েলথ গেমস বা অলিম্পিক্সের মতো মঞ্চে পদক পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।এবার পাল্টা বার্তা ব্রাজিলেরভারতীয় ফুটবল মহলে যখন ম্যাচ বয়কট নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন ব্রাজিলের ফুটবল কর্তাদের বক্তব্য পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের অভ্যন্তরে এই ম্যাচ নিয়ে কী ধরনের বিতর্ক চলছে, তা নিয়ে ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ বিশেষ চিন্তিত নয়। ম্যাচের সূচি পরিবর্তনেরও কোনও সম্ভাবনা নেই।বয়কট নিয়ে ব্রাজিলের তরফে বিশেষ মাথাব্যথা নেই বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বরং এই ধরনের বক্তব্যকে স্থানীয় রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ বিতর্কের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।এশিয়ান কাপ থেকে ভারতের নাম প্রত্যাহারের বিষয়েও ব্রাজিল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে। ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ ফুটবল পরিস্থিতির সঙ্গে ব্রাজিলের কলকাতা সফরকে যুক্ত করার কোনও কারণ দেখছে না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।ভারত আমাদের সমর্থন করেছে, বলছে ব্রাজিলব্রাজিল দলের পক্ষ থেকে রড্রিগো কেতানোও এই ম্যাচের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুরভারত বিশ্বকাপের সময়ে ব্রাজিলকে যে সমর্থন দিয়েছে, তার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। কলকাতায় ম্যাচ আয়োজনকে তাই শুধু বাণিজ্যিক বা প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে দেখছে না ব্রাজিল।ব্রাজিলের তরফে জানানো হয়েছে, এই ম্যাচে তারা নিজেদের সেরা ফুটবল উপহার দিতে চায়। অর্থাৎ ভারতের মাটিতে এসে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা সারাই তাদের লক্ষ্য নয়; বরং ভালো পারফরম্যান্স করে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চায় তারা।স্টিমাচের কটাক্ষেও বাড়ছে বিতর্কব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ ইগর স্টিমাচও। তাঁর বক্তব্য, দেশের ঘরোয়া লিগ এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনার মধ্যে এখনও প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য তৈরি হয়নি। সেই সমস্যা সমাধান না করে ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার মতো দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ আয়োজন করা হলে তা ভারতীয় ফুটবলের জন্য উল্টে অস্বস্তির কারণ হতে পারে।অর্থাৎ একদিকে বাইচুংয়ের আর্থিক অগ্রাধিকারের প্রশ্ন, অন্যদিকে স্টিমাচের ঘরোয়া ফুটবলের কাঠামো নিয়ে অভিযোগসব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ম্যাচ এখন শুধুমাত্র একটি ফুটবল ম্যাচে সীমাবদ্ধ নেই।ম্যাচ হবে, বিতর্কও চলবে?একদিকে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে যুবভারতীতে ভারতকে দেখার স্বপ্নে ফুটবলপ্রেমীরা উত্তেজিত। অন্যদিকে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ, বিপুল খরচ, আইএসএলের সূচি এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচেরা।ব্রাজিলের তরফে অবশ্য এখনও পর্যন্ত বার্তা স্পষ্টতারা ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত এবং সূচি বদলের কোনও পরিকল্পনা নেই। ফলে ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যেমন বাড়ছে, তেমনই তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিতর্কও। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত মাঠের ৯০ মিনিট কি সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে যেতে পারে, নাকি ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই প্রশ্নগুলি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দুই দশকের ডুরান্ডের আক্ষেপ ঘোচানোর লড়াই, ডার্বির আগে হাবাসের মন্ত্র—‘আবেগ নয়, বুদ্ধিই শেষ কথা’

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা। শেষ বার ২০০৪ সালে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর থেকে সময় গড়িয়েছে, বদলেছে দল, কোচ, ফুটবলারকিন্তু লাল-হলুদ শিবিরের ডুরান্ড-খরা কাটেনি। ২২ বছর পর সেই আক্ষেপ মুছে ফেলার সামনে দাঁড়িয়ে ইস্টবেঙ্গল। আর সেই লড়াইয়ের মঞ্চে প্রতিপক্ষ আবারও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান।রবিবারের ডুরান্ড ফাইনাল তাই শুধু একটি ট্রফির লড়াই নয়। একদিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটানোর তাগিদ, অন্যদিকে ডার্বির অতিরিক্ত উত্তেজনাসব মিলিয়ে ম্যাচের আবহ ইতিমধ্যেই তুঙ্গে। তবে এই আবেগকেই নিয়ন্ত্রণে রাখাকে সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি বলে মনে করছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।হাবাসের কাছে ডার্বি মানেই শুধু আবেগের লড়াই নয়, বরং মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরীক্ষা। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ম্যাচটির গুরুত্ব যতই বেশি হোক, তাঁর দলকে মাঠে নেমে এটিকে একটি সাধারণ ম্যাচের মতোই খেলতে হবে।হাবাসের কথায়, ডার্বিতে আবেগ থাকবেই। কিন্তু সেই আবেগ যদি খেলোয়াড়দের নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে কৌশল এবং পরিকল্পনা ভেস্তে যেতে পারে। তাই তাঁর লক্ষ্য আবেগের মাত্রা ১০০ শতাংশ থেকে নামিয়ে প্রায় ২৫ শতাংশে নিয়ে আসা। ম্যাচের ৯০ মিনিটে কোন মুহূর্তে ঝুঁকি নিতে হবে, কখন ধৈর্য ধরতে হবে এবং কখন কৌশল বদলাতে হবেসেই বুদ্ধিমত্তাই পার্থক্য গড়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।ফাইনালের আগে ইস্টবেঙ্গলের জন্য বড় ধাক্কা পিভি বিষ্ণুর অনুপস্থিতি। সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও মাঠে নামতে পারবেন না দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আক্রমণভাগের ফুটবলার। চলতি ডুরান্ডে দুরন্ত ছন্দে ছিলেন বিষ্ণু। সিআইএসএফের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ৮-০ জয়ের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে নজর কেড়েছিলেন তিনি। তাঁর গতি এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রতিপক্ষের রক্ষণকে একাধিক বার সমস্যায় ফেলেছে।বিষ্ণুকে না পাওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে হাবাসকে। তাঁর জায়গায় প্রথম একাদশে বিপিন সিংয়ের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে ভাবনায় রয়েছেন জেসিন টিকে। ডুরান্ডেই সিআইএসএফের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে নিজের দাবিও জোরালো করেছেন তিনি।শুধু বিষ্ণু নন, ফাইনালে এফিয়ংকেও পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন হাবাস। বিদেশি স্ট্রাইকার এবং ডিফেন্ডার ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ ডার্বিতে নামা যে সহজ নয়, তা স্বীকার করেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তবে সমস্যাকে সামনে রেখে অজুহাত তৈরি করতে তিনি একেবারেই রাজি নন।হাবাসের বক্তব্য, রেফারিং, প্রতিপক্ষ কিংবা দলের কোনও নির্দিষ্ট ফুটবলার না থাকার মতো বিষয়কে সামনে রেখে ম্যাচের আগে অজুহাত খোঁজা অর্থহীন। মাঠে যে ফুটবলাররা থাকবেন, তাঁদের নিয়েই সেরাটা দিতে হবে। তাঁর বিশ্বাস, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ইস্টবেঙ্গল নিজেদের সেরা ফুটবল খেলতে সক্ষম।অন্যদিকে, মোহনবাগানকে যথেষ্ট সমীহ করছেন লাল-হলুদ কোচ। সবুজ-মেরুন দলের প্রত্যেক ফুটবলারকেই বিপজ্জনক বলে মনে করছেন তিনি। বিশেষ করে গোলরক্ষক বিশাল কাইথের প্রশংসা করেছেন হাবাস। তবে নিজের দলের গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিলের উপরও তাঁর আস্থা অটুট। ফলে ফাইনালে দুই গোলরক্ষকের পারফরম্যান্সও ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ডার্বির উত্তাপের মধ্যেও অবশ্য প্রস্তুতির ধরন বদলে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল। ফাইনালের আগে মাঠের অনুশীলন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। হাবাসের মতে, এই মুহূর্তে আরও একটি অনুশীলনের চেয়ে ফুটবলারদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া বেশি জরুরি। গত কয়েক দিনে ম্যাচের প্রস্তুতি এবং রিকভারির জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া গিয়েছে। তাই ফুটবলারদের শরীরকে তরতাজা রাখাই এখন তাঁর অগ্রাধিকার।মাঠের বদলে হোটেলেই চলবে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। জিমে অনুশীলন, ফুটবলারদের কাছ থেকে আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং ইনডোর সেশনের মাধ্যমে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারবে দল।সব মিলিয়ে রবিবারের ফাইনাল ইস্টবেঙ্গলের কাছে একাধিক কারণে বিশেষ। ২২ বছরের ডুরান্ড-খরা কাটানোর হাতছানি, সামনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান, আবার ২০০৪ সালের ফাইনালের স্মৃতিও ফিরছে। কিন্তু ইতিহাস কিংবা আবেগ নিয়ে বেশি ভাবতে চান না হাবাস। তাঁর কাছে হিসাবটা একেবারেই সরল৯০ মিনিট মাথা ঠান্ডা রেখে খেলতে হবে, সঠিক মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং কোনও অজুহাত ছাড়াই ট্রফির জন্য লড়াই করতে হবে।২২ বছর আগের সেই জয়ের স্মৃতি কি আবারও লাল-হলুদ সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাবে? নাকি ডার্বির মঞ্চেই ইস্টবেঙ্গলের দীর্ঘ অপেক্ষা আরও বাড়বেউত্তর মিলবে রবিবারের মহারণে।

আগস্ট ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal